S.S.C Online Free Exam

print this page
Showing posts with label ওয়েবসাইট টিপস. Show all posts
Showing posts with label ওয়েবসাইট টিপস. Show all posts

কিভাবে আপনার ওর্য়াডপ্রেস ও ইকর্মাস ওয়েবসাইটকে অপটিমাইজ করার মাধ্যমে দ্রুততর করবেন ?


আপনাদের সাথে আজকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো, সেটা হলো কিভাবে আপনি আপনার ওর্য়াডপ্রেস সাইটটি দ্রুততর ও নিথুত করবেন। আমাদের অনেক ক্লাইন্ট আমাদের কাছ থেকে হোস্টিং নেওয়ার পর তাদের ওর্য়াডপ্রেস সাইট চালিয়ে বলে, আমার সাইট অনেক স্লো লোড নিচ্ছে ? আপনাদের হোস্টিং ভালো না ?  আপনারা কিসের এস এস ডি হোস্টিং দেন ? এরকম অনেক প্রশ্ন। যা অনেকই না জেনে অনেক কিছু বলতে থাকে।
ওর্য়াডপ্রেস হলো বিশ্বের একটি জনপ্রিয় সিএমএস (কনটেন্ট ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম)। ওর্য়াডপ্রেস তার ডিফল্ট কনফিগারেশন এ কিছুটা স্লো থাকে, যদি সাইটি বেশি ভিজিটর ও ভারী কনটেন্ট থাকে। এছাড়াও আপনার সাইটি টে যদি ভারী টেমপ্লেট থাকে, যদি আপনার কনটেন্ট ও থিম এর ছবি গুলো অপটিমাইজ না করা থাকে্ ইত্যাদি।
গুগল ২০১০ সাল থেকে, সাইট র‌্যাংকিং এর জন্য ওয়েবসাইট এর পেজ লোডকে প্রধান্য দিয়ে আসছে, তাদের অলগারিদমে।
ভাগ্যক্রমে, এই ওর্য়াডপ্রেস সাইটের নমনীয়তার জন্য বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি আছে, যা আপনার ওর্য়াডপ্রেস সাইটকে দ্রুততর করে ও সাইট লোড সময়কে কমিয়ে দেয়। তাছাড়াও আপনি আপনার ওর্য়াডপ্রেস সাইটটি গুগল পেজ স্টিড দ্বারা টেস্ট করে, কিভাবে ? কি করে ? সাইট দ্রুততর করতে পারবেন এবং লোড টাইম কমাতে পারবেন সেটা সর্ম্পকে অবগত হতে পারবেন।
নিম্নে্ আপনারা কিছু পথ বা পদ্ধতি খুজে পেতে পারেন, কিভাবে আপনার ওর্য়াডপ্রেস সাইট তৈরী করার সময় থেকে সাইটটি দ্রুততর করতে পারবেন ?

ওর্য়াডপ্রেস সাইট দ্রুততর করার কিছু টিপস :

  • সঠিক থিম নির্বাচন করা।
  • ইমেজগুলো অপটিমাইজ করা।
  • ফাইল সংকুচিত করা বা কমপ্রেস করা।
  • ব্রাউজার cache ব্যবহার করা।
  • caching প্লাগইন ব্যবহার করা।

ওর্য়াডপ্রেস সাইট অপটিমাইজ করার কিছু টিপস :

  • হোমপেজ অপটিমাইজেশন করা।
  • হটলিংক প্রোটেকশন চালু করা।
  • ডাটাবেজ অপটিমাইজ করা।

সঠিক থিম নির্বাচন করা :

থিম মুল ভুমিকা পালন করে একটি ওর্য়াডপ্রেস সাইট এর লোড স্পিড বাড়ানো ও কমনোর জন্য। যদি আপনি পরিকল্পনা করেন একটি ব্যস্ত ব্লগ বা সাইট করতে চান, তাহলে আমি বলবো আপনাকে সবচেয়ে লাইট থিম পছন্দ করে সাইটটি তৈরী করতে। এতে আপনার সাইট লোড নিতে সময় কম লাগবে ও দ্রুততর হবে।

ইমেজগুলো অপটিমাইজ করা :

ইমেজগুলো অপটিমাইজ হলো আপনার সাইটে যত কনন্টেন আছে তাদের ভিতর যেসব ছবি আছে, সেগুলোর সাইজ দুর করা বা কমানো। ইমেজগুলো অপটিমাইজ করার জন্য ওর্য়াডপ্রেস এর অনেক প্লাগইন আছে। ওর্য়াডপ্রেস প্লাগইন স্টোর থেকে  রেটিং ও ব্যবহারকারীদের ভিত্তিতে প্লাগইন পছন্দ করে নিবেন ইমেজগুলো অপটিমাইজের জন্য।



ফাইল সংকুচিত করা বা কমপ্রেস করা :

আমাদের নেটকন হোস্টি এর সিপ্যানেল এ অপটিমাইজ ওয়েবসাইট নামে একটি প্লাগইন আছে। ঐ অপটিমাইজ ওয়েবসাইট প্লাগইন করতে হয় আপনার সাইট এর ফাইলগুলো অপটিমাইজ করার জন্য। এর মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার সাইটে ফাইলগুলো অপটিমাইজ করতে পারবেন।



প্রথমে আপনার সিপ্যানেলে অপটিমাইজ ওয়েবসােইট প্লাগইন টি প্রবেশ করবেন  এবং নিচের ছবির মত করবেন।


এখন আপডেট ‍ সেটিংস বাটনে ক্লিক করবেন।

ব্রাউজার cache ব্যবহার করা :

Expires Header হলো একটি পথ যার মাধ্যমে একটি নিদিষ্ট সময় পযন্ত আপনার সাইটের (css, java scripts, images etc) এসব ফা্ইল গুলো ভিজিটর এর ব্রাউজার স্টোর করে রাখা যায়। এটাকে বলা হয় ব্রাউজার cache। এটা করা জন্য কিছু কোড আছে যা আপনার সাইটের .htaccess ফাইলে ভিতর বসিয়ে প্রযোগ করতে হয়। নিচের কোড গুলো আপনার সাইট এর  root  এ  .htaccess ফাইলে বসিয়ে  ব্রাউজার cache ব্যবহার করতে পারবেন।

ExpiresActive on
ExpiresByType image/jpg "access plus 60 days"
ExpiresByType image/png "access plus 60 days"
ExpiresByType image/gif "access plus 60 days"
ExpiresByType image/jpeg "access plus 60 days"
ExpiresByType text/css "access plus 2 weeks"
ExpiresByType image/x-icon "access plus 2 weeks"
ExpiresByType application/pdf "access plus 1 month"
ExpiresByType audio/x-wav "access plus 1 month"
ExpiresByType audio/mpeg "access plus 1 month"
ExpiresByType video/mpeg "access plus 1 month"
ExpiresByType video/mp4 "access plus 1 month"
ExpiresByType video/quicktime "access plus 1 month"
ExpiresByType video/x-ms-wmv "access plus 1 month"
ExpiresByType application/x-shockwave-flash "access 1 month"
ExpiresByType text/javascript "access plus 2 weeks"
ExpiresByType application/x-javascript "access plus 2 weeks"
ExpiresByType application/javascript "access plus 2 weeks"

caching প্লাগইন ব্যবহার করা :

ওর্য়াডপ্রেস সাইটে caching প্লাগইন ব্যবহার করা আরেকটি গুরুত্বপূণ দিক যার মাধ্যমে আপনার ওর্য়াডপ্রেস সাইটি সহজেই দ্রুতগতির করেত পারবেন। ওর্য়াডপ্রেস প্লাগইন লাইব্রেরীতে caching প্লাগইন নামে অনেক প্লাগইন খুজে পাবেন যার মধ্যমে আপনার সাইট এর পেজ ক্যাস, সব মিডিয়া ফাইল মিনিফাই ও ব্রাউজার ক্যাস ও করতে পারবেন। জনপ্রিয় কয়টি caching প্লাগইন হলো W3 Total Cache এবং WP Super Cache। এর মধ্যে W3 Total Cache ই ভালোভাবে কাষ্টমাইজ করতে পারবেন।



হোমপেজ অপটিমাইজেশন করা :

ওর্য়াডপ্রেস সাইটে অপটিমাইজ করার প্রথম কাজ হলো হোমপেজ অপটিমাইজেশন করা। কিন্তু অনেকই এটা করে না। ফলে সাইট লোড নিতে সময় লাগে। ওর্য়াডপ্রেস সাইটে হোমপেজ অপটিমাইজেশন করার জন্য নিচের টিপস গুলো ব্যবহার করবেন :
  • আপনার ওর্য়াডপ্রেস সাইটেরে হোমপেজ সহ বাকি পেজ গুলো বিভিন্ন ধরনে widgets ব্যবহার করে ভারী করবেন না। যেমন সোস্যাল শেয়ারীং বাটন widget না রেখে টিউন গুলোর ভিতরে একমাত্র রাখা উচিৎ।
  • ওর্য়াডপ্রেস সাইটের টিউনগুলো ফুল শো না করে Read More ব্যবহার করা উচিৎ।
  • ওর্য়াডপ্রেস সাইটের হোমপেজ বেশি টিউন রাখা উচিৎ না। মিনিমাম ৫ - ৬ রাখলেই যথেষ্ট।

হটলিংক প্রোটেকশন চালু করা :

হটলিংক প্রোটেকশন সাধারণত আপনার ওয়েব হোস্টিং এর ব্যান্ডউইথ চুরি প্রতিরোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। যখন অন্য কোনো ওয়েব সাইট আপনার ওয়েবসাইট এর কোনা ছবি তার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে করে তাহলে ঐ সাইটে ভিজিটর আপনার সাইট ব্যবহার করবে এতে আপনার ব্যান্ডউইথ যাবে। হটলিংক প্রোটেকশন যদি আপনি চালু রাখেন তাহলে কেউ যদি আপনার ছবি তার ‍ওয়েবসাইট এ ব্যবহার করে তাহলে আপনার হটলিংক প্রোটেকশন সেট করা ছবি দেখাবে। সে যে ছবিটি চেয়েছিলো সেটা শো করবে। এটা আপনার সাইট অপটিমাইজ করার জন্য খুবই দরকার হয়। কিভাবে হটলিংক প্রোটেকশন চালু করবেন ? হটলিংক প্রোটেকশন আপনি আপনার সিপ্যানেল হটলিংক প্রোটেকশন প্লাগইন ও আপনার ওয়েবসাইট এর .htaccess ফাইল এ কোড দিয়ে করা যায়।
আপনি আপনার সিপ্যানেল হটলিংক প্রোটেকশন প্লাগইন  প্রবেশ করুন।



 এখন এনাভেল বাটনে ক্লিক করুন।



ডাটাবেজ অপটিমাইজ করা :

একটি ওর্য়াডপ্রেস সাইটের জন্য ডাটাবেজ অপটিমাইজ করা খুবই দরকারী। নিচের চিত্র অনুযায়ী আপনি আপনার সাইটের ডাটাবেজ অপটিমাইজ করতে পারেন।
প্রথমে আপনার সি প্যানেল থেকে phpmyadmin যান  এবং আপনার যে ডাটাবেজ টি অপটিমাইজ করবেন  ঐটা ‍সিলেক্ট করেন।


এখন ডাটাবেজর সবগুলো টেবিল সিলেক্ট করেন  check all  বাটন ক্লিক করেন।


তারপর অপটিমািইজ টেবিল সিলেক্ট করেন।


যদি অপনার ডাটাবেজ অপটিমাইজ হয়ে যায় তাহলেেএকটি কনর্ফামেশন বার্তা পা্বেন।



এভাবে আপনি সহজেই  অাপনার ওর্য়াডপ্রেস সাইটকে দ্রুততর ও অপটিমাইজ করতে পারবেন। আপনি যদি আপনার ওর্য়াডপ্রেস সাইটকে আরও নমনীয়, দ্রুততর  ও ফাস্ট করতে চান, তহলে নেটকন হোস্টিং এর এস এস ডি হোস্টিং ব্যবহার করুন।
0 comments

হোস্টিং কিনে ধরা খেয়েছেন ? আর খাবেন না শুধু কিছু জিনিস দেখে হোস্টিং কিনুন ।



হোস্টিং কিনে ধরা খেয়েছেন ? আর খাবেন না শুধু কিছু জিনিস দেখে হোস্টিং কিনুন ।

আজকে আপনাদের কিছু জিনিস দেখাবো যা দেখে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কোন কোম্পানী থেকে হোস্টিং নেওয়া যায় কোন কোম্পানী থেকে নেওয়া যাবে না ।

প্রথমে কিছু কারন দেখা যাক. কখন আপনি একটি হোস্টিং কোম্পানী আপনি বদলান
১. আপনার সাইট ডাউন/সাসপেন্ড ।
২. হোস্টিং কোম্পানীর সাইট ডাউন, সাপোর্ট সিস্টেম বন্ধ ।
৩. সাইট রিসপন্স টাইম অনেক বেশী ।

এই তিনটি সমস্যাই প্রধানত হয়ে থাকে । এবার কারন দেখানো যাক,
১. আপনার সাইট ডাউন/সাসপেন্ড: এর কারন অনেক গুলো হতে পারে
  • শেয়ার্ড হোস্টিং এর রিসোর্স লিমিট দেওয়া থাকে যাতে সকল কাস্টমারই ভালো ভাবে সাইট চালাতে পারেন । ধরুন একজনের একটি করপোরেট সাইট আছে তার সাইট সিপিউ লোড দেয় ২%, আপনার একটি সাইট আছে যা সিপিউ লোড দেয় ৯৯% । তাহলে মোট ১০১% লোড হলো যেটা অসম্ভব ! ফলে সার্ভার ডাউন ! এই অবস্তায় হোস্টিং কোম্পানী আপনার সাইট কে বন্ধ করে দিবে ।
আপনি প্রশ্ন করতে পারেন এটা কেনো করবে ? আমি টাকা দিয়ে সার্ভিস কিনেছি ? ভাই এটা দুনিয়ার সকল হোস্টিং কোম্পানীই ফলো করে, সার্ভারের সকল ব্যবহারকারীকে সমান রিসোর্স প্রদানের জন্য । আপনি যেমন কিনেছেন সার্ভারের অন্য ১০০জনও তেমনি টাকা দিয়ে কিনেছে সুতরাং সব রিসোর্স আপনি একা ব্যবহার করতে পারেন না । সবার সমান অধিকার ।

শেয়ারড হোস্টিং এর লিমিটেশন:
১. ফাইল স্টোরেজ হিসাবে ব্যবহার করতে পারবেন না । অর্থাৎ ডাউনলোডিং টাইপ সাইট এতে বানাতে পারবেন না । যদি বানান যে কোনো সময় অ্যাকাউন্ট ব্যান হতে পারে ।
২. রিসোর্স লিমিট দেওয়া থাকে, যেমন মেমোরী, সিপিউ ইত্যাদি ।
  
শেয়ারড হোস্টিং কি ধরনের সাইটের জন্য তাহলে: 
শেয়ারড হোস্টিং এ যে কোনো ধরনের সাইটই হোস্ট করা যাবে ( illegal/porn ছাড়া এগুলোর জন্য offshore hosting লাগবে ), তবে ভালো হয় ছোট খাট সাইট হোস্ট করা, যেসব সাইটের ভিজিটর মাসে ৩০ হাজারের নিচে থাকে  এবং সাধারনত ব্লগ, অফিশিয়াল সাইট, কোম্পানীর সাইট ইত্যাদি সাইট হোস্ট করা নিরাপদ । তবে দাম ভেদে আরো বড় সাইট হোস্ট করা যাবে আমি স্ট্যান্ডার্ড মূল্যকে কে ধরে বলছি যেমন: ১জিবি হোস্টিং ১০০০-১২০০ টাকা এটা স্টান্ডার্ড কারন বাংলাদেশের অধিকাংশ ভরসাযোগ্য কোম্পানী এই রেট রাখে ।বড় সাইট/ ই কমার্সিয়াল সাইটের জন্য ম্যানেজড ভিপিএস নেওয়া সব থেকে উত্তম ।


২. হোস্টিং কোম্পানীর সাইট ডাউন, সাপোর্ট সিস্টেম বন্ধ :
এটা হলে বুঝে নিবেন ধরা খেয়েছেন ভাই, ভুল জায়গা থেকে হোস্টিং নিয়েছেন । হোস্টিং কেনার আগে কিছু জিনিস দেখলে এই সমস্যা হতো না । কি কি দেখবেন ?

১. কোম্পানীর রেপুটেশন: কোম্পানীর portfolio, ফেসবুক পেজ, রিভিউ ইত্যাদি দেখুন এবং অন্য কোম্পানীর সাথে compare করুন ।
২. সাপোর্ট সিস্টেম: তারা কি ধরনের সাপোর্ট দেয় এটা দেখুন, অধিকাংশ ভালো কোম্পানী আপনাকে লাইভ সাপোর্ট দিবে কিনবা ইমেইল করে টেস্ট করুন কতক্ষন পর রিপ্লাই আসে ।
৩. টিম মেম্বার : বাংলাদেশে হোস্টিং বিজনেস করার জন্য কোনো যোগ্যতা লাগে না ৮০০-৩০০০ টাকায় 3rd ক্লাস রিসেলার হোস্টিং কিনে যে কেউ বিজনেস শুরু করতে পারে । সুতরাং সাবধান যে ব্যক্তি সার্ভার সম্পর্কে জানে না তার কোম্পানী থেকে হোস্টিং কিনা বুদ্ধি মানের কাজ হবে না ।প্রথমে দেখুন টেকনিক্যাল টিমে কারা আছেন তাদের সম্পর্কে জানতে চান এরপর নিজেই বুঝবেন ।
৪. হোস্টিং সার্ভার চেক করুন: এটা সব থেকে গুরুত্বপূর্ন । কিভাবে বুঝবেন একটি কোম্পানী টাকা নিয়ে সাপোর্ট না ও দিতে পারে ? প্রথমে দেখে নিন হোস্টিং কোম্পানীর সার্ভার কোথা থেকে নেওয়া, সার্ভার লোকেশন এবং অন্যান্য তথ্য । সেই সাথে দেখে নিন তারা কি রিসেলার নাকি সার্ভারের মালিক । স্বাভাবিক ভাবে যারা রিসেলার তারাই অধিকাংশ সময় টাকা নিয়ে গায়েব হয়ে যায় কারন ১০০/২০০ টাকা দিয়ে স্পেস বেঁচে টাকা খরচ করে ফেলে এবং সময় মত রিনিউ করতে পারে না কিনবা তাদের নিজেদের অ্যাকাউন্টই সার্ভার মালিক কোনো কারনে ব্যান করে দিতে পারে । তবে সব রিসেলার রা খারাপ হয় না, অধিকাংশ ভালো কোম্পানী প্রাথমিক ভাবে রিসেলার দিয়েই শুরু করে । তবে আসল যে জিনিস দেখবেন তা হলো সার্ভার কোথা থেকে নেওয়া এবং অরিজিনাল সার্ভারের আপটাইম এবং রেপুটেশন কেমন । বাংলাদেশে নিম্ন গতির ইন্টারনেট সুবিধার জন্য বানিজ্যিকভাবে কেউ সার্ভার বসাতে চায় না । সুতরাং সার্ভার বাহির থেকে নেওয়া লাগে । আর অরিজিনাল সার্ভারের আপটাইম আর রিভিউ দেখলে বুঝতে পারবেন তারা কতটুকু ভালো সার্ভিস দিবে ।

কিভাবে দেখবেন ?
প্রথমে http://myip.ms সাইটে যান এর পর নিচের মত করে আপনি যাদের থেকে হোস্টিং কিনতে চান তাদের নেমসার্ভার লিখে সার্চ করুন । মনে রাখবেন নেমসার্ভার দিয়েই শুধু সার্চ করবেন কারন মূল সাইট অন্য সার্ভারে থাকতে পারে নিরাপত্তা কিনবা অন্য কোনো কারনে । কিভাবে নেমসার্ভার পাবেন । সাধারনত ns1.হোস্টিংসাইট.কম/ ns1.হোস্টিংসাইট.কম.বিডি এরকম প্যাটার্ন হয় । যেমন:
Ns1.greenweb.com.bd
Ns1.hostspicy.com
Ns1.godaddy.com
ইত্যাদি । NameServer না জানলে কোম্পানীকে জিজ্ঞাসা করুন ।
নিচের ছবি দেখুন :


এবার তথ্য বিশ্লেষন করুন:

IP Address: এটা সার্ভারের আইপি, ping করুন কামন্ড থেকে রিসপন্স দেখুন কেমন পাচ্ছেন ? কোনো ফেইলর আছে কিনা, টাইম কেমন নিচ্ছে ।
IP Location: অনেক গুরুত্বপূর্ন সাধারনত Texas, Singapore, Hongkong , France এর সার্ভারের স্পিড ভালো হয় । ক্যানাডার সার্ভারের স্পিড তুলনামূলকভাবে কম পাওয়া যায় । এর কারন স্পিড Geo Location এর উপর নির্ভর করে ।
IP Reverse DNS (Host): এটা গুরুত্বপূর্ন, আপনি যাদের থেকে হোস্টিং কিনছেন তারা কি রিসেলার নাকি সার্ভার মালিক তার একটা ধারনা এটা থেকে পাওয়া যাবে । যদি এখানে তৃতীয় পক্ষ কোনো হোস্টিং কোম্পানী থাকে তবে তারা রিসেলার (তবে rDNS চালু না থাকলে অনেকের সার্ভার নেয়া সত্ত্বেও অন্য কোম্পানী দেখাতে পারে যদিও এটা rare

মনে রাখবেন সার্ভার প্রোভাইডার > সার্ভার মালিক (ডেডিকেটেড/ভিপিএস) > রিসেলার(আলফা/মাস্টার/রিসেলার) > শেয়ার্ড হোস্টিং 

তবে, আবারো বলছি রিসেলার মানে খারাপ না এটা শুধু মাত্র একটা পর্যায় বোঝার যে তাদের লিমিটেশন কেমন, বড় কোম্পানী সার্ভার ব্যবহার করবে এটাই স্বাভাবিক । রিসেলার থেকে কিনলেও অনেক সময় সাপোর্ট ভালো পেতে পারেন যদি রেপুটেড কোম্পানী থেকে রিসেলার কেনা  হয় । যেমন: hostgator, inmotion, steadfast ইত্যাদির রিসেলার যথেস্ট মানসম্পন্ন এবং ভালো ।

এর পর আছে কাঙ্খিত সার্ভার নেম । এটাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ন :
ছবি :



এখানে Interserver, Inc হলো সার্ভার প্রোভাইডার আর মালিক https://greenweb.com.bd । আপনার কাজ হবে Interserver, Inc এর সার্ভিস সম্পর্কে খোজ খবর নেওয়া, রিভিউ দেখা :
https://www.google.com/search?q=Interserver+review&ie=utf-8&oe=utf-8&client=firefox-b&gfe_rd=cr&ei=lLPwV8m9MZuGuwSD3b7wCg
গুগল মামাকে ব্যবহার করুন ।
মনে রাখবেন যতদিন ছেলে মা এর উপর নির্ভরশীল ততদিন মা এর উপর ছেলের আচরন অনেকটাই নির্ভর করে  । যদি মেইন সার্ভার ডাউন না হয় আপনার সাইট ডাউন হবে না, মেইন সার্ভারের যতটুকু স্পিড ততটুকু্‌ই আপনি পাবেন আপনার হোস্টিং প্রোভাইডার যতই ১০০ ১০০ আপটাইম বলুক না কেন মেইন সার্ভার কোম্পানী যদি ৯৫ দেয় তিনি আপনাকে ১০০ দিবে কিভাবে ?
আশা করি এরপর নিজেরাই বুঝতে পারবেন কোথা থেকে হোস্টিং কিনা উচিত কোথা থেকে না ।
নিচের জিনিস গুলোও ফলো করবেন:
১. মার্কেট প্রাইস: দাম অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয় । আপনি ভলভো গাড়িতে যে আরাম পাবেন তা লোকাল বাসে পাবেন না এটাই তো স্বাভাবিক । সুতরাং, মার্কেট প্রাইজ compare করুন যদি কাছাকাছি কিনবা বেশী হয় তাহলেই কিনুন । কম রেটে সার্ভিস কিনে ধরা খাবেন না ।
২. প্রোভাইডার দের সাথে খারাপ আচরন করবেন না । আপনি সার্ভিস কিনেছেন মানে এই নয় আপনি তাকে কিনে ফেলেছেন, প্রোভাইডার রা যদি রেগে থাকে তাহলে খারাপ সাপোর্ট পাওয়ারই কথা । মনে রাখবেন আপনি তার ব্যবসার একটি পার্ট, তার পুরো ব্যবসা না ।
৩. শুধুমাত্র সার্ভিস রিলেটেড সাহায্য চান, অনেকে আছেন ডোমেইন কিনে কিভাবে ওয়েব সাইট বানাতে হয় তা শেখাতে বলেন এসব সার্ভিস রিলেটেড সাপোর্ট নয় । এ ক্ষেত্রে সাপোর্ট পাবেন কিনা পাবেন না তা নির্ভর করে প্রোভাইডার এর উপর । এ ধরনের ব্যাপার গুলো ব্যাড ইমপেক্ট ফেলে । তারা আপনাকে যা বিক্রি করেছে শুধুমাত্র সেসব জিনিসের ব্যাপারে সাহায্য নেবার অধিকার আপনার আছে । অন্য ব্যাপারে সাহায্য নিতে কখনো জোড় করবেন না ।
৪. টাকা নিয়ে ঝামেলা করবেন না । অনেকেই আছেন ১০০ টাকা দিতে পারেন কিন্তু ২টাকা চার্জ দিতে আপত্তি করেন । এ ক্ষেতে প্রোভাইডারের সাথে যদি আপনার সমস্যা থেকে আগে কথা বলে নিন । হুট করে টাকা পাঠিয়ে দিবেন না । কিছু মানুষ থাকে যারা ১০০ টাকা লাভ করলেও ২টাকার মায়া ছাড়তে পারে না সুতরাং বিকাশ চার্জ/ব্যাংক চার্জ কিনবা যে চার্জই হোক কথা বলে ঠিক করে নিন ।
৫. সার্ভারে অদরকারী ফাইল রেখে দিবে না, যেটা আপনার প্রযোজন শুধু সেটাই রাখুন, অদরকারী ফাইল আপনার পুরো সিস্টেমকে স্লো করে দিতে পারে যেমন আপনার পিসিতে যদি অদরকারী ফাইল থাকে কি ঘটে ভেবে দেখুন ।
৬. সার্ভারের নীতিমালা মেনে চলুন onshore এ যদি হ্যাকিং/পর্ন এসব হোস্ট করেন অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ড হবে এটাই স্বাভাবিক ।
৭. আইপি রিভার্স করে সাইটে কত সাইট হোস্ট করা আছে এটা দেখা বোকামী এর কারন আইপি রিভার্সে সব সাইট আসে না সুতরাং এর উপর বেজ করে কেনো সিদ্ধান্ত নিবেন না । আইপি রিভার্সে শুধুমা্ত্র যে সাইটে রিভার্স করছেন তার ডাটাবেজে সেভ থাকে সাইট গুলোর নামই পাবেন । সঠিক কোনো তথ্য পাবেন না এমনকি অনেকে CDN ব্যবহার করে এক্ষেত্রেও সঠিক রেজাল্ট পাবেন না ।
বিশাল লেখাটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ –

ফেসবুকে আমাদের লাইক দিন  আইটি বিডি জোনে
ইউটিউবে আমাদের সাকসক্রাইভ করুন  আইটি বিডি জোনে

0 comments

২৫টি গুরুপ্তপূর্ণ ওয়েব ডিজাইন টুলস!


বর্তমানে ইন্টারনেটে সার্চ করলেই ওয়েব ডিজাইনিং এর অনেক টুলস খুঁজে পাওয়া যায়। যা আপনাকে আপনার ডিজাইনের কাজকে সহজ এবং গতিময় করে তুলতে সক্ষম। সাথে নিত্য নতুন তো প্রতিনিয়তই আসছে। বলা চলে প্রতিটি ডিজাইনারই তার কাজে সুবিধার্তে পছন্দমত টুলস গুলো বাছাই করে নেয়।


আপনিও কি তাই করেছেন? যদি না করে থাকেন তবে আজই নিচের ২৫টি টুলস থেকে আপনার পছন্দের গুরো বাছাই করুন…

১. HTML Entity Character Lookup:

এই টুলসটি আপনাকে এইচটিএমএল এনটিটি গুলো খুজেঁ বের করতে দ্রুত সহায়তা করবে এবং এটি কত রকম তা দেখতে সহায়তা করবে। উদাহরণ স্বরূপঃ সাইটটিতে গিয়ে HTML Entity Lookup এ < অথবা c লিখে দেখুন।

২. Blueprint CSS framework

আপনি যদি আপনার সাইটটির ভিত্তি মুজবুত এবং উচ্চমাপের করতে চান তবে এই টুলটি ব্যবহার করতে পারেন। এই সিএসএস ফ্রেমওয়ার্কটি আপনাকে গ্রিড সিস্টেমে ওয়েব সাইটের ওয়াইড পরিমাপ করতে, প্লাগিংস এবং বিভিন্ন স্টাইলশীট ব্যবহার করে সাইটকে দুষ্টিনন্দন করতে সহায়তা করবে।

৩. Typetester

এটি একটি অনলাইন এপ্লিকেশন যা ওয়েবসাইটের ফন্ট কি ধরনের হলে সুন্দর হতে পারে সাইটের জন্য তা আগেভাগেই দেখে দেয়া যায়। বলা চলে, ডিজাইনারদের কাজের ধারাকে গতিমত করতে এর আবির্ভাব।

৪. Em Calculator

Em Calculator একটি ছোট অনলাইন জাভাস্ক্রীপট টুল। এটি দিয়ে আপনি সিএসএস এর ওয়াইড, হাইট পরিমাপ সহজেই গুনতে পারবেন।

৫. Web Developer Toolbar

এটি ওয়েব ডেভলাপদের জন্য অত্যান্ত গুরুপ্তপূর্ণ মাজিলা ফায়ারফক্স এডন। এটি ব্রাউজারে ইন্সটল থাকলে আলাদাভাবে একটি ডেভলপার টুলসবার প্রদর্শন করবে।

৬. MeasureIt

এটিও ওয়েব ডেভলাপদের জন্য অত্যান্ত গুরুপ্তপূর্ণ মাজিলা ফায়ারফক্স এডন। এটি ব্রাউজারে ইন্সটল থাকলে ওয়েব সাইটের ওয়াইড এবং হাইট সহজেই পরিমাপ করতে পারবেন।

৭. ColorZilla

নাম শুনেই গুন বুঝার কথা। এটি দিয়ে এ্যাডভান্স কালার নির্বাচন, কালারকোড কপি করা সহ কালার সমন্ধীয় অনেক কাজ করতে পারবেন।

৮. Firebug

বর্তমান সময়ে ওয়েব ডেভলাপদের জন্য অত্যান্ত গুরুপ্তপূর্ণ মাজিলা ফায়ারফক্স এডন। এটি ব্রাউজারে ইন্সটল থাকলে আপনি সরাসরি যেকোন ওয়েব পেজ সম্পাদন, এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জাভাস্ক্রীপট ফাইলুগলোকে তদারকি করতে পারবেন।

৯. Designers Toolbox

সকল ধরনের প্রিন্ট এবং ওয়েব মিডিয়ার ফাইল সাইজ নির্ধারন করতে পারবেন।

১০. What the Font?

আপনি যেকোন ইমেজ এই সাইটের ডাটাবেজের মধ্যে দিয়ে সার্চ করতে পারবেন আপনার পছন্দের যেকান ফণ্টকে।

১১. Easy Web Form Builder

অনলাইনের যেকোন ধরনের ফর্ম তৈরী এবং তা থেকে ডাটা সংগ্রহ করতে পারবেন।

১২. Browser Shots

এই টুলটি দিয়ে আপনার বা আপনার ক্লাইন্টের সাইটকে বিভিন্ন ব্রাউজার ক্যাপবল কি না তা পরীক্ষা করাতে পারবেন।

১৩. Icon Finder

নামের সাথে কাজের তো মিল থাকতেই হয় তাই না? এই টুলটি দিয়ে আপনি যেকোন ধরনের আইকন সার্চ করতে পারবেন।

১৪. Button Browser

এটি একটি বাটর গ্যালারী। আপনি যেকোন ধরনের বাটন এখানে নিমিষেই তৈরী করতে পাবেন।

১৫. Rounded Corner

এটি একটি রাউন্ড কর্ণার তৈরী করার টুল। এটি দিয়ে কোন কর্ণার তৈরী করলে তাতে ৪টি ইমেজ ফাইল, এবং প্রযোজনীয় এইচটিএমএল ও সিএসএস ফাইল জেনারেট করবে রাউন্ড কর্নারের জন্য।

১৬. BlogFlux Button Maker

আপনারা ওয়েবের বিভিন্নখানেই ৮০×১৫ সাইজের বাটন দেখে থাকবেন। যা ফটোশপে করতে অনেক সময়ের দরকার পরে। আপনি খুব সহজেই কয়েক ক্লিকেই এই টুলটি ব্যবহার করে বাটন তৈরী করতে পারবেন।

১৭. Vecteezy

ফ্রিতে ভেক্টর গ্রাফিক্স ফাইল পেতে পারেন।

১৮. Background Image Maker

এটি ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ তৈরী করার একটি সহজ এবং অসাধারন টুল।

১৯. Photoshop Brushes

দৃষ্টি নন্দন ফটোশপ ব্রাস পেতে এখনই এই সাইটে ব্রাউজ করুন।

20. Tartan Maker

কাপড়ের মত বিভিন্ন ওয়েব সেড তৈরী করতে এই টুলটি ব্যবহার করতে পারেন।

২১. Color Schemer

এডভান্স ডিজাইনারদের জন্য ColorSchemer Studio 2 একটি গুরুপ্তপূর্ণ কালার সিলেকশন টুল।

২২. Webs

এটি নিয়ে নতুন করে বলার নেই। যারা ফ্রিতে ওয়েব্লগ বানাতে চান। তারা ব্লগার কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস.কম এর পাশাপাশি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

২৩. Sampa

প্রতিদিন ব্যক্তিগত, পারিবারিক, বা ছোট বাচ্চাদের ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তার জন্য এটি ব্যবহার করনে।

২৪. Format Pixel

আপনার অনলাইন ম্যাগাজিন, রম্য ওয়েবসাইট, ব্যক্তিগত পোর্টফোলিও খুব সহজেই তৈরী করতে পারবেন।

২৫. Weebox

এটি ফ্লাস ভিত্তিক একটি ওয়েব সাইট তৈরীর প্লাটফর্ম।


এই হল ২৫টি অনলাইন টুলস। আপনি পছন্দ করলেন কোনটি? জানাতে ভুলবেন না কিন্তু!
আজ এই পর্যন্ত!
সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।
0 comments

ওয়েব সাইটের স্পীড টেস্ট করার জন্য ১০টি অনলাইন টুলস!


বর্তমান ইন্টারনেট জগতে আমাদের যাদের নিজস্বে বা ব্রান্ড ওয়েব সাইট আর মালিক, তাদের একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ধীর গতি সম্পন্ন ওয়েব সাইটে(যেসব সাইট অনেক সময় নেয় কন্টেন্ট লোড করতে) বেশিক্ষন অবস্থান করেন না বা ব্রাউজ করেন না। আর একটি ওয়েব সাইট সেটি ব্যক্তিগত বা ব্যাণ্যিজিক বা শিক্ষামূলক যা-ই হোক না কেন এর সাফল্য নির্ভর করবে কত দ্রূত আপনি আপনার গ্রাহক/ক্রেতা/পাঠককে আপনার সেবা/পণ্য-কে প্রদর্শন করাতে পারবেন।



তাই একটি ওয়েব সাইটকে সফল করতে এর শুরু থেকেই উঠে পড়ে লাগতে হবে। প্রথম দিকের সমস্যা থাকলে তা যত দ্রুত সম্ভব সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে। মনে রাখতে হবে এবং আপনার দৃষ্টিকে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন হতে হবে যাতে করে আপনার বর্তমান সমস্যা গুলোর সমাধান এর সাথে সাথে ভবিষ্যত উন্নয়নের পথ গুলো প্রসারিত করে নিতে হবে।
কিন্তু কিভাবে বুঝবেন আপনার সাইট দ্রুত গতির নাকি সল্প গতির? হয়তো আপনার নেট স্পীডে তেমন সমস্যাও ধরা পড়ে না। তাই আপনাকে অবশ্যই অনলাইন টুলস ব্যবহার করে বুঝতে হবে আপনার সাইট সঠিক পথে হাঠছে কি না। আর টুলসগুলো যদি হয় ফ্রী তাহলে তো কোন কথাই নাই!

১. Page Speed Online


গুগল পেজ স্পীড অনলাইন- এটি গুগলের ওয়েব নির্ভর একটি সার্ভিস। গুগল ক্রোম এর ওয়েব ডেভলপমেন্ট ব্রাউজার এক্সটেনশন সমর্থন করে। পেজ স্পীড গুগল এর এই সার্ভিসের ফন্টএন্ড পারফরমেন্স এর উপরে নির্ভর করে পরীক্ষা করে যে আপনার ওয়েব সাইটের কার্যকরীতায় কোন সমস্যা আছে কি না। সার্ভিসটি চেক করার সময় আপনি অজস্র তথ্য পাবেন যা আপনাকে আপনার সাইপ সম্পর্কে সম্মক ধারনা দিবে। এমনকি আপনার সাইটটি মোবাইলের জন্য ব্রাউজ উপযোগী কি’না তাও দেখায় দিবে।

২. Pingdom Tools



এটি পিংডম(সার্ভার, নেটওয়ার্ক এবং ওয়েব সাইট মনিটরিং সার্ভিস) এর একটি ফ্রী অনলাইন ওয়েব সাইট স্পীড টেস্টিং টুলস। এটি আপনার ওয়েব সাইটের বিভিন্ন তথ্য যেমনঃ টেক্ট ও ইমেজ অবস্থান, স্টাইলশীট(CSS), জাভাক্রিপট ফাইল সহ অন্যান্য রিসোর্সগুলোর আপলোডিং এবং ডাউনলোডিং, বান্ডউইথ খরচ সহ সকল তথ্য প্রদশন করায়। সাথে আপনার সাইটটি কত সময় নিচ্ছে লোড হতে, পেজের সাইজ এবং একটি পেজ কতবার রিকোয়েস্ট পাচ্ছে সার্ভার থেকে তা প্রদর্শণ করায়।

৩. BrowserMob



BrowserMob এটিও ফ্রী ওয়েব সাইট স্পীড এবং পারফরমেন্স চেকার টুলস! এটি গ্রাহকের সাইটের লোডিং সময়, মানিটরিং সেবা করে থাকে। সাথে গ্রাহককে তার ওয়েব সাইটের লক্ষাধিক তথ্য যেমনঃ গড় লোডিং টাইম, টোটাল পেজের ভার এবং পেজের অবজেক্ট সংখ্যা প্রকাশ করে। এটি গ্রাহকের সাইটকে পিং করতে সহায়তা করে এত গ্রাহক তার সাইটের জন্য বিভিন্ন লোকেশন থেকে পাঠক পান এবং তার সাইটের গ্লোবাল র্যাঅঙ্কিং বাড়তে সহায়তা করে।

৪. Which loads faster?



মজার এই টুলটি একবার হলেও ব্যবহার করেই দেখুন। এই টুলটি সব থেকে আলাদা এই কারনেই যে, আপনি একই সাখে দুটি সাইটকে কম্পেয়ার করতে পারবেন। ধরুন আপনি আপনার প্রতিপক্ষের সাইটের সাথে আপনার সাইটের অবস্থা জনাতে চাইলে এই টুলটি হবে আপনার জন্য আদর্শ। অন্য সাইটের মতই তথ্য পাবেন তবে একই সাথে আপনার এবং আপনার প্রতিপক্ষের খবরও জানতে পারবেন।

৫. WebPagetest



এই ছোট টুলটি আপনার ওয়েব সাইটকে রিয়েল ওয়েব ব্রাউজার(ক্রোম, ফায়রফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার) দ্বারা পরীক্ষা করে। এবং বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে আপনার ওয়েব সাইটকে চেক করে দেখার সুযোগ প্রদান করে। এই টুলটি দ্বারা আপনি এডভান্স সেটিংন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন মানের/ব্রান্ডের ইন্টারনেট সংযোগের দ্বারা আপনার ওয়েব সাইট কত দ্রুত লোড হবে তার সম্ভাব্য চিত্র দেখাবে।

৬. Web Page Analyzer



সম্ভবতঃ এটিই ওযেবের পুরাতন এনালাইসিং টুল, এটির প্রথম রিলিজ হয় ২০০৩ সালে। এটি আপনাকে আপনার সাইটের পেজের সাইজ, অন্যান্য উপাত্ত, এবং লোডিং টাইম প্রদর্শণ করবে। আর আপনার সাইটের কোন সমস্যা থাকলে তা কিভাবে সমস্যামুক্ত করতে পারবেন সেই সাজেশনও পাবেন।

৭. Show Slow



সো স্লো, ওয়েব নির্ভর ওপেন সোর্স সার্ভার এপ্লিকেশন। এটি আপনাকে তাদের তিনটি জনপ্রিয় পাবলিক টেস্টিং টুল YSlow, Page Speed এবং dynaTrace দিয়ে চেক করে ফলাফল জানাবে। তাই এই সাইটেই সেবা পেতে আপনাকে অবশ্যই রেজিস্টেশন করতে হবে।

৮. Site-Perf



এই টুলটি আপনাকে সাইট প্রসেসিং(ব্রাউসিং) করার সময় বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করবে, যেমনঃ টোটাল ডাউনলোড টাইম, কানেকশন কতবার প্রদান করা হয়েছে এবং কতবার সার্ভার কানেশন অনুবোধ পেয়েছে। এটির একটি বোনাস ফিচার রয়েছে যা আপনাকে সাইট HTTP আথেনটিক(HTTPS) থাকা অবস্থাতেও পরীক্ষা করতে পারে।

৯. Load Impact



লোড ইম্প্যাক, এই ফ্রী অনলাইন টুলটি আপনাকে সাইটের প্রচুর ডাটা রক্ষণাবেক্ষণ করার সুযোগ দিবে। টুলটি আপনার সাইটের ইউজার ডাটা গ্রাফ হিসাবে প্রদর্শণ এবং প্রতি সেকেন্ডের ইউজার রিকোয়েস্ট প্রদর্শন করায়।

১০. OctaGate SiteTimer

OctaGate SiteTimer, এই টুলটির দ্বারা আপনি যথনই কোন সাইটকে পরীক্ষা করতে যাবেন, তখনই সাইটের প্রতিটি পেজের জন্য আলাদা পেজ বার আসবে এবং সেখানে পেজের বিভিন্ন তথ্যঃ ডাউনলোড শুরুর এবং শেষের সময়, এবং প্রতিটি ডাউনরোডের জন্য সময় কত লাগলো সব প্রদর্শন করবে। এই টুলটির আরো একটি বৈশিষ্ট্য হলো আপনার সাইটের যদি কোন দূর্বল পেজ থাকে তবে সেটিকে কিভাবে ঠিক করায় নিবেন তার জন্য পরামর্শ পাবেন।
আজ এই পর্যন্ত!
সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।
0 comments
 
Copyright © 2014. আইটি বিডি জোন - All Rights Reserved
Template Created by Shuvo Islam
^ উপরে ফিরে আসুন